ব্র্যাকের উদ্যোগে জামালপুরে ৩৬ জন সদস্যকে ২০টি করে মাশরুমের স্পন বিতরণ
স্বচ্ছ নিউজ ডেস্কঃ গতকাল যে জানতো এটি একটি ব্যাঙের ছাতা, আজ সে জানে এটি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ঔষধি গুণসম্পন্ন দামী সবজি। চেনা হাতে অচেনা ফসল তুলে দিয়েছে ব্র্যাক। ব্র্যাকের সেন্ট্রাল-২ ডিভিশন, জামালপুর রিজিওনের মাদারগঞ্জ এরিয়া অফিসে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি (দাবি) এর উদ্যোগে গত ১৫ ও ১৬ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে মোট ৩৬ জন সদস্য নিয়ে মাশরুম চাষ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোঃ নজরুল ইসলাম, সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার (দাবি) সেন্ট্রাল-২, সিমসন হালদার, রিজিওনাল ম্যানেজার (দাবি) জামালপুর, মোঃ রাশেদুজ্জামান, ডিভিশনাল সেক্টর স্পেশালিষ্ট (কৃষি ও বীমা ইউনিট) সেন্ট্রাল-২, এ.এস.এম মাহবুবুল আলম, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (কৃষি ও বীমা ইউনিট) জামালপুর, মোঃ নজরুল ইসলাম, এলাকা ব্যাবস্থাপক,মাদারগঞ্জ ও মোঃ মাজহারুল ইসলাম, শাখা ব্যাবস্থাপক,মাদারগঞ্জ প্রমুখ। তাছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর হর্টিকালচার সেন্টার, কেওয়াটখালী, ময়মনসিংহে কর্মরত মাশরুম বিশেষজ্ঞ সিহাবুন সাদিক সোহাগ এই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
অদ্য ৭ই এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহকারীদের ২০টি করে মাশরুমের স্পন বিতরন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ নজরুল ইসলাম, এলাকা ব্যাবস্থাপক,মাদারগঞ্জ ও মোঃ মাজহারুল ইসলাম, শাখা ব্যাবস্থাপক,মাদারগঞ্জ, এ.এস.এম মাহবুবুল আলম, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (কৃষি ও বীমা ইউনিট) জামালপুর ও মোঃ আব্দুল কুদ্দুস,এসডিইউ,এমএফ,জামালপুর প্রমুখ।
উক্ত এলাকার মাটি অত্যন্ত উর্বর বিধায় এ অঞ্চলে সবধরনের সবজিই সাধারণত জন্মায়। কিন্তু মাশরুম এর মতো এক্সটিক সবজি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ অসচেতন থাকায় এগুলো ফলায় না। এসকল উদ্যোগ ব্র্যাকের ক্রেডিট প্লাস কার্যক্রমের অংশ হওয়ায় ব্র্যাককে অন্যান্য মাইক্রোক্রেডিট প্রতিষ্ঠান থেকে এক আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে। মানুষের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ব্র্যাকের মূল লক্ষ্য এবং এই লক্ষ্যে বাস্তবায়নেই ব্র্যাক এসকল ছোট ছোট কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা অত্যন্ত আগ্রহ ও মনোযোগের সাথে বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারেন এবং ভবিষ্যতে মাশরুম চাষের মাধ্যমে অতিরিক্ত আয় সৃষ্টির বিষয়ে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেন। মাশরুম চাষ কম জায়গা, কম সময় ও তুলনামূলক কম খরচে করা সম্ভব হওয়ায় এটি গ্রামীণ পরিবারের জন্য একটি সম্ভাবনাময় আয়বর্ধক উদ্যোগ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। ভবিষ্যতেও সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জীবিকায়ন উন্নয়নের লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


No comments